|
দেনাদারের রেন্ট সার্টিফিকেটের দায় অস্বীকারের অধিকার এবং প্রতিকার:
(দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী (পি
ডি আর এক্ট ১৯১৩ এর ৯ এবং ১০ ধারা
মতে)
-
৭ ধারার নোটিস
প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বা নোটিস না পেয়ে থাকলে সার্টিফিকেট কার্যক্রম
বাস্তবায়নের ৩০ দিনের মধ্যে দেনাদার এই আইনের
৯ ধারা অনুসারে নোটিসে
উল্লেখিত সম্পূর্ণ বা আংশিক দায় অস্বীকার করে সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট আপত্তি
দিতে পারেন। আপত্তি দায়ের না হলে ধরে নেয়া হয় যে পাওনার বিষয়ে দেনাদারের কোন
দ্বিমত নেই।
-
আর আপত্তি পাওয়া
গেলে সার্টিফিকেট অফিসার ১০ ধারা অনুসারে আপত্তির উপর শুনানী
গ্রহণ করবেন, প্রয়োজনে
সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সার্টিফিকেট সংশোধন, বাতিল বা বহাল রেখে সিদ্ধান্ত
(রায়) প্রদান করবেন।
-
১০ ধারা অনুসারে
শুনানীর পর সার্টিফিকেট অফিসার যদি মামলা বহাল রাখেন
বা ৯ ধারা অনুযায়ী কোনো আপত্তি
দায়ের না হয়ে থাকে এবং ৭ ধারার নোটিস জারীর পর ৩০ দিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার
পরও পাওনা টাকা অনাদায়ী থাকে তবে সার্টিফিকেট অফিসার এ আইনের দ্বিতীয় তফসিলের
৪৬ বিধি বলে একটি প্রকাশ্য নিলাম ইস্তেহার জারী করবেন।
উল্লেখ্য যে যখন মামলাভূক্ত
সম্পত্তির মূল্য ২০০ টাকার বেশী
হবে তখনই কেবলমাত্র উপরোক্ত বিধানগুলি প্রযোজ্য হবে।)
-
ইস্তেহারে যে সকল বিষয় থাকতে হবে তা হলো:
(ক) নিলামকৃত
সম্পত্তির বর্ণনা।
(খ) যে পরিমাণ পাওনা
টাকার জন্য নিলামের আদেশ।
(গ) নিলামের স্থান,
তারিখ ও সময় বর্ণনা।
|