আদালত
এই আইনের অধীনে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে তার জন্য বিচারের ব্যবস্থা রয়েছে৷ এই আইনের
অধীনে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে কোথায় অর্থাত্ কোন আদালতে বিচার কাজ পরিচালিত হবে সে
ব্যাপারে ১৯৮২ সালের অভিবাসন অধ্যাদেশের ধারা ২৬ এ বিস্তারিত বলা আছে৷ এ ধারা
মোতাবেক এই আইনের অধীনে অপরাধের বিচার করার জন্য সরকার যতগুলো প্রয়োজন মনে করবেন
ততগুলো আদালত প্রতিষ্টা করবেন৷ এই আদালতগুলোকে বলা হবে বিশেষ আদালত৷ কোন জায়গায় যদি
একাধিক বিশেষ আদালত প্রতিষ্টা করা হয় তবে সেক্ষেত্রে সরকার প্রতিটি আদালতের
কার্যালয় ও এখতিয়ার নির্দিষ্ট করে দিবেন।
আদালতের গঠন
এই আদালত গঠিত হবে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে৷ এবং ব্যক্তিটি হবেন ১৯৬৯ সালের শিল্প
সম্পর্কিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী গঠিত শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান৷
এখতিয়ার
বিশেষ আদালত কেবলমাত্র এই অধ্যাদেশের আওতায় সংঘটিত দন্ডনীয় অপরাধের অভিযোগ
গ্রহণ করতে ও বিচার করতে পারবে৷
বিচার পদ্ধতি:
এই আদালত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করবে এবং বিচারের সময় ১৮৯৪ সালের ফৌজদারী আইনের
বিধান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করতে হবে৷
সারা দেশে
আদালতের সংখ্যা
আদালত বিচার প্রধান
কার্যালয় স্থানীয় অধিক্ষেত্র
-
বিশেষ আদালত, ঢাকা
চেয়ারম্যান, দ্বিতীয় শ্রম আদালত, ঢাকা (সমগ্র ঢাকা বিভাগ)
-
বিশেষ আদালত, চট্রগ্রাম
চেয়ারম্যান, শ্রম আদালত, চট্রগ্রাম (সমগ্র চট্রগ্রাম বিভাগ)
-
বিশেষ আদালত, খুলনা
চেয়ারম্যান, শ্রম আদালত, খুলনা (সমগ্র খুলনা বিভাগ)
-
বিশেষ আদালত, রাজশাহী চেয়ারম্যান, শ্রম আদালত, রাজশাহী (সমগ্র রাজশাহী
বিভাগ)
পরবর্তীতে সংশোধন করে ঢাকায় তিনটি ও চট্রগ্রামে ২ টি শ্রম আদালতের এখতিয়ার
পুনর্বিন্যস্ত করে শ্রম আদালত সমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনুযায়ী এই সমস্ত
শ্রমআদালতের চেয়ারম্যানদের বিশেষ আদালত হিসেবে এখতিয়ার দেয়া হয়েছে৷