গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
শ্রমিক অধিকার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করা হয়েছে।সংবিধানের বিভিন্ন
অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ১৪
রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে মেহনতী
মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিকের-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি
দান করা।বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ১৫
কর্মের অধিকার অর্তাত্ কর্মের গুণ ও পরিমাণ
বিবেচনা করে যুক্তিসংগত মজুরির বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার; যুক্তিসংগত
বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার।
বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ২০
কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের
পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও
প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী- এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক
লাভ করিবেন।বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ৩৪
সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই
বিধাণ কোনভাবে লংঘিত হইলে তাহা আইনত: দন্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ৩৭
জনশৃংখলা ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের
দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায়
সমবেত হইবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের
থাকিবে।বাংলাদেশ
সংবিধান : অনুচ্ছেদ ৩৮
জনশৃংখলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা
আরোপিত যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংগঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক
নাগরিকের থাকিবে।