|
| |
সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ ২০০৮
আইনটির যথার্থ প্রয়োগ চাই |
|
১৮মে উপদেষ্টা পরিষদ সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, ২০০৮ অনুমোদন করেছে। এ অধ্যাদেশের আওতায় সংঘটিত অপরাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে তাদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। নতুন এই অধ্যাদেশ নিয়ে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীরা আইন অধিকারের মুখোমুখি হন। [বিস্তারিত]
|
|
| |
| |
| জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি- ২০০৮ |
|
গত ৮ই মার্চ ২০০৮ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয় "জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি- ২০০৮" এর। এর আগে আমরা ১৯৯৭ এবং ২০০৪ সালে দু'টি নারী উন্নয়ন নীতি পেয়েছিলাম। নতুন ঘোষিত এ নীতিটি আগের নীতিগুলোর সংস্করণ। নতুন এ নীতিটিতে সংযোজন হিসাবে এসেছে- পাঁচ মাসের মার্তৃত্বকালীন ছুটি, জাতীয় সংসদের এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ ও সংরক্ষিত আসনে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া, নারীর কর্মসংস্থান প্রশ্নে বিদেশে শ্রমবাজারে নারীর অধিকতর অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ, নারীর প্রশাসনিক ক্ষমতায়ন প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল স্তরে নারীর সম ও পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত কোটা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা। নতুন নীতিমালায় সংযোজিত বিষয়গুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন ও কার্যকারীতা আমরা আশা করি। [বিস্তারিত] |
|
| |
| |
| বাংলাদেশ সরকারী মুদ্রণালয় এর ওয়েবসাইট |
|
গত ২০ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ "বাংলাদেশ সরকারী মুদ্রণালয়" তাদের
নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করেছেন। ওয়েবসাইটটিতে সরকারী বিভিন্ন প্রকাশনা, ফরম, বাজেট, বিল, আইন,
অধ্যাদেশ, লিফলেট, পোষ্টার, গেজেট ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে। দেখুন: http://www.bgpress.gov.bd |
|
| |
| |
| বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ বাস্তবায়নে গৃহীত কার্যক্রম |
|
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট , আপিল বিভাগ কর্তৃক সিভিল আপিল নং ৭৯/১৯৯৯ (মাসদার হোসেন মামলা) এ প্রদত্ত রায়ে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথককরণের নিমিত্ত সরকারের প্রতি ১২ (বার) দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয় ৷ তত্কালীন সরকার বিচার বিভাগ পৃথককরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০০৬ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস-সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা জারি করে৷ ন। বিস্তারিত.....
|
|
| |
|
|
সমাজ
ব্যবস্থায় পুরুষের গতিশীলতার কারণে যে কোনো তথ্য তার কাছে আসা যেমন সহজ, নারীর জন্য
তেমন সহজ নয় ৷ যতক্ষণ না তথ্য নারীর কান পর্যন্ত পৌঁছানোর যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হয়,
ততক্ষণ পর্যন্ত নারী সেই তথ্য পান না ৷ সব রকমের তথ্য থেকে নারীকে দূরে সরিয়ে রেখে
কিংবা যে টুকু তথ্য তাকে দেয়া হচ্ছে, তাতে 'পুরুষাধিপত্য' কিংবা 'পুরুষতান্ত্রিক
মূল্যবোধ' জিইয়ে রেখে একপেশে, ভুলভাল কিছু শুনিয়ে বা জানিয়ে তাদেরকে সন্তুষ্ট করার
চেষ্টা জারী রয়েছে দীর্ঘকাল ৷ জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে এ অবস্থার পরিবর্তন জরুরী ৷
কারণ দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে তথ্যবঞ্চিত রেখে অর্থনৈতিক বা সামাজিক কোনো ধরনের
উন্নয়নই সম্ভব নয় ৷ তথ্যে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন
প্রক্রিয়াকে আরো ত্বরান্বিত করাতে ডি.নেট কাজ করে যাচ্ছে ৷
৮ মার্চ কে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করা হয় ৷ নারী সমাজের
অধিকারের জন্য দাবী দিবস হিসেবে নয় বরং নারীর ক্ষমতা, মানবাধিকার ও উন্নয়নের
লক্ষ্যে এই দিনটি হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের নারী-পুরুষ উভয়ের সচেতনতা বৃদ্ধির দিবস ৷
বাংলাদেশের সমাজ প্রগতি ও উন্নয়নের জন্য দরকার নারী সমাজের অগ্রগতি বিষয়ে নারী ও
পুরুষ উভয়ের সচেতনতা ৷ এই লক্ষ্যে ৮ মার্চ হয়ে উঠুক নারী-পুরুষের সম্মিলিত
প্রচেষ্টায় নারীর উন্নয়নের জন্য নারী দিবস ৷ |
|
| |
|
|
দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা:
কমনওয়েলথের রক্ষাকবচ
- শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
গত ফেব্রুয়ারী ২০, ২০০৭
বিকাল চারটায় বাংলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চে 'দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার
প্রতিষ্ঠা: কমনওয়েলথের রক্ষাকবচ' শীর্ষক বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন ডেমোক্রাসি
ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান ৷ বাংলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চে এক
অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় ৷
ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ নেটওয়ার্ক (ডি.নেট) এবং কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ
যৌথভাবে 'দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা: কমনওয়েলথের রক্ষাকবচ' শীর্ষক
একটি বই প্রকাশ করেছে ৷
বইটির মূল্য ধরা হয়েছে ২০০ টাকা ৷ |
|
| |
|
|
দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা:
কমনওয়েলথের রক্ষাকবচ
ডি.নেট এবং
কমনওয়েলথ হিউম্যান
রাইটস ইনিশিয়েটিভ এর যৌথ প্রকাশনা
ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ নেটওয়ার্ক (ডি.নেট) এবং কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ
যৌথভাবে 'দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা: কমনওয়েলথের রক্ষাকবচ' শীর্ষক
একটি বই প্রকাশ করেছে ৷
বইটিতে মানবাধিকারের দৃষ্টিকোন থেকে দারিদ্র্য বিমোচনের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত
আলোচনা করা হয়েছে ৷ এখানে জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমনওয়েলথের কার্যকারিতা ও
ভবিষ্যত্ নির্ভর করবে এই দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তবায়নের উপর ৷
বইটি পড়ে কমনওয়েলথের সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা
ভাষাভাষী মানবাধিকার কর্মীবৃন্দ দারিদ্র্য বিমোচনের বিষয়টি মানবাধিকার আন্দোলনের
সাথে সম্পৃক্ত করতে পারবেন
বলে আশা করা যায় ৷ |
জরুরী
ক্ষমতা অধ্যাদেশ জারী
গত ১২ই জানুয়ারী,
২০০৭ রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাষ্ট্র ও সাধারন জনগণের নিরাপত্তা
ও স্বার্থ রক্ষা, জনশৃংখলা বজায়, অর্থনৈতিক জীবন অক্ষুণ্ন রাখা এবং সমাজ জীবনে
অত্যাবশ্যক সামগ্রীর সরবরাহ ও সেবাকার্য নিশ্চিত করতে "জরুরী
ক্ষমতা অধ্যাদেশ, ২০০৭" জারী করেছেন।
বিস্তারিত.....
২০০৬ সালে
সরকার কর্তৃক
গামের্ন্টস শিল্পের নূন্যতম মজুরি
পুন:নির্ধারন:
গামের্ন্টস শিল্পে ১৯৯৪ সালের প্রথম নূন্যতম মজুরী
কাঠামো চালু হওয়ার পর গত ১৯ নভেম্বর ২০০৬ তারিখ সরকার
গামের্ন্টস শিল্পের শ্রমিকদের জন্য নূন্যতম মজুরি পুন:নির্ধারন করে ৭টি গ্রেডে নতুন
মজুরি কাঠামোর গেজেট(এস.আর.ও নং ৩০১-আইন/ ২০০৬/শ্রকম/শা-৬/নিঃমঃবোর্ড-১/২০০৬)
প্রকাশ করে। ২২ অক্টোবর ২০০৬ তারিখ হতে এ নতুন মজুরী কাঠামো কার্যকর করা হয়েছে।
বিস্তারিত জানুন...
'অবলম্বন'
এর ডিজিটাল প্রদর্শনী ও জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
|
 |
গত
৫ জুলাই, ০৬ দুপুরে মহাখালীস্থ ব্র্যাক সেন্টার মিলনায়তনে বেসরকারী
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ নেটওয়ার্ক (ডি.নেট) পরিচালিত "অবলম্বন"
কর্মসূচীর আওতায় আয়োজিত "মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্যের
প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করণ" শীর্ষক সেমিনার
অনুষ্ঠিত হয় ৷ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ এম.পি
৷ |
বেসরকারী সাহায্য সংস্থা 'মানুষের জন্য'র নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্ত্বে
অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডি.নেট এর নির্বাহী পরিচালক ড. অনন্য
রায়হান ৷ সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আতিউর রহমান, চেয়ারম্যান,
উন্নয়ন সমন্নয়; এ এম এম ইয়াহিয়া, ডিরেক্টর, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ডিভিশন (ফন্ড),
গ্রামীণ ফোন ৷
বিস্তারিত...
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন
আইন কার্যকর হলো
 |
৩রা জুলাই, ২০০৬ ইং তারিখ থেকে সারা
দেশে কার্যকর হচ্ছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন। এ আইন বলে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন
বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ও
বিদেশে জন্মগ্রহণকারী সকল বাংলাদেশীকে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় নিবন্ধিত হতে হবে।
|
|
এই আইন কার্যকর হওয়ার ২ বছরের মধ্যে বিনা খরচে জন্ম নিবন্ধন করানো যাবে। এ আইনে
জন্ম সনদকে ব্যক্তির বয়স ও পরিচয় প্রমাণের দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ আইনে
পাসপোর্ট প্রাপ্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বিবাহ নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স,
সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী, জমি রেজিষ্ট্রেশন, ভোটার তালিকায় নাম
অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে জন্ম সনদ প্রদর্শণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে
সম্প্রতি একটি সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন আইন কার্যকরণের তারিখ থেকে ১ বছর পর্যন্ত এসব
বাধ্যবাধকতা থেকে জনগণকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্যে হচ্ছে সকলকে জন্ম
নিবন্ধন ও সনদ পত্র সংগ্রহে সময় দেওয়া, যাতে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ
হয়রানির শিকার না হয় এবং ধীরে ধীরে এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ
করে। এই উদ্যোগ গ্রহণের ফলে শিশুর
অধিকার সংরক্ষণ বাল্যবিবাহ নিরোধ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ, দ্রুত আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি,
জনসংখ্যার সঠিক তথ্য নিরূপণ, জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সর্বোপরি সুশাসন ও সামাজিক
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন জাতীয় জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
করবে।
বিস্তারিত... |
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন
এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে আইনগত
পরামর্শ প্রদান, আইনজীবীর ফিস প্রদান ও মামলা
পরিচালনার যাবতীয় খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা
প্রদানের লক্ষ্যে সরকার,
"আইনগত সহায়তা প্রদান ২০০০" প্রণয়ন করেছেন ৷ এই আইনের
অধীনে প্রতিটি জেলা শহরে অবস্থিত জেলা আইনজীবী সমিতিতে "আইনগত সহায়তা প্রদান
সংস্থা' নামে একটি সংস্থা
আছে ৷ যার চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ ৷ এই সংস্থায়
দরিদ্র ও দুস্থ ব্যক্তিরা আবেদন করে বিচার প্রার্থনা
করতে পারবেন ৷
২০০৩ সালে আইনগত সহায়তা প্রদান আইনটিতে সংশোধনী আনা
হয় ৷
আইন
ও মানবাধিকার বিষয়ে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তসমূহের তথ্য ভান্ডার
ডি.নেট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, ব্লাস্ট, বিএলডি এবং ল' রিভিউ-এর যৌথ
উদ্যোগে মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি নতুন ওয়েবসাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া
হয়েছে ৷ সম্প্রতি এ বিষয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে
একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় ৷ মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট সারা হোসেন, সুপ্রীম
কোর্ট বাংলাদেশ; ড:ফস্টিনা পেরেরা, পরিচালক এডভোকেসী এন্ড রিসার্চ
ইউনিট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র; মো: সাইদ আহমেদ,সমন্বয়কারী এডভোকেসী এন্ড
রিসার্চ ইউনিট; এডভোকেট এ.টি.এম মোর্শেদ, স্টাফ লইয়ার; এডভোকেট জান্নাত
সুলতানা, স্টাফ লইয়ার; তাপস কান্তি বাউল, জেনারেল সেক্রেটারী, ল রিভিউ;
এডভোকেট ফেরদৌসী আখতার, অবলম্বন প্রকল্প সমন্বয়কারী ও মাছুম বিল্লাহ,
সিনিয়র রিসার্চ এসোসিয়েট, ডি.নেট উপস্থিত ছিলেন ৷
এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অধিকার লংঘিত মানুষের অধিকার আদায়ের
দিক-নিদের্শনা মুলক মানবাধিকার সংক্রান্ত মামলার রায়সমূহ উপস্থাপন করা
হবে ৷ ওয়েবসাইটের তথ্যসমূহ আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, গবেষক ও নীতি
নির্ধারকবৃন্দের জন্য কার্যকর হবে বলে আশা করা যায় ৷ |